আগামী মাসের শুরুতেই রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানো হবে

সরকার রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠাতে চাইলেও দাতা সংস্থাগুলোর রয়েছে ভিন্নমত।

আগামী মাসের শুরুতেই রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠাতে চায় সরকার। তবে, এ নিয়ে এখনও দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, তাদের পর্যবেক্ষণ শেষ হলে আর দেরি করা হবে না। এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পাঠানো হবে।

নোয়াখালীর ভাসানচরের আশ্রয়ণ প্রকল্পে এরই মধ্যে বসবাস করছেন ৩০৬ জন রোহিঙ্গা। তাদের জীবনমান উখিয়ার ক্যাম্পের চেয়ে উন্নত বলে দাবি করছে সরকার। নানা দিক বিবেচনায় সেখানে একলাখ রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত অনেকদিন ধরেই আটকে আছে। তবে, এবার তা করতে সরকার স্থির প্রতিজ্ঞ। যদিও এ নিয়ে দাতা সংস্থাগুলো বিশেষত ওয়ার্ল্ড ফুড অর্গানাইজেশন এবং ইউএনএইচসিআর এর মধ্যে দ্বিমত আছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, দাতা দেশগুলোর রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দেবার বিষয়ে যতটা উৎসাহ তাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগে ততটা আগ্রহ নেই।

সব সংস্থার সাথে আলোচনা শেষে দ্রুতই রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থপনা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীন।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে বাংলাদেশের কি পরিমাণ আর্থিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত ক্ষতি হয়েছে তার একটি আনুষ্ঠানিক হিসাব খুব শিগগিরই বাংলাদেশ করতে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।